চূড়ান্ত মুসলিম দার্শনিকবৃন্দ সাজেশন 2024 – অনার্স ৩য় বর্ষ সাজেশ

5/5 - (1 vote)

মুসলিম দার্শনিকবৃন্দ সাজেশন 2024

আপনাদের পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালোর জন্য আমরা নিয়ে আসছি মুসলিম দার্শনিকবৃন্দ সাজেশন বুলেট সাজেশন। আশা করছি আমাদের সাজেশন ‍গুলো পড়লে আপনাদের রেজাল্ট ভালো হবে। চূড়ান্ত সাজেশন অনার্স ৩য় বর্ষের মুসলিম দার্শনিকবৃন্দ, অনার্স ৩য় বর্ষের ১০০% কমন মুসলিম দার্শনিকবৃন্দ সাজেশন

চূড়ান্ত মুসলিম দার্শনিকবৃন্দ সাজেশন

বিষয় কোড : ২৩১৭১১

ক-বিভাগ – মুসলিম দার্শনিকবৃন্দ সাজেশন

১. মুসলিম দর্শনের জনক কে?
উত্তর : মুসলিম দর্শনের জনক আল কিন্দি।

02. কুরআনের প্রথম ফারসি অনুবাদ করেন কে?
উত্তর : কুরআনের প্রথম ফারসি অনুবাদ করেন শাহ ওয়ালিউল্লাহ।

০৩. ওয়ালিউল্লাহর মতে দর্শনের ভিত্তি কী?
উত্তর : ওয়ালিউল্লাহর মতে দর্শনের ভিত্তি ধর্ম।

০৪. ‘খুদী’ অর্থ কী?
উত্তর : খুদী অর্থ আত্ম বা আত্মসত্তা।

০৫. ইকবালের মতে আত্মা বা খুদির স্বরূপ কীভাবে জানা যায়?
উত্তর : ইকবালের মতে স্বজ্ঞা বা অতীন্দ্রিয় অনুভূতির মাধ্যমে আত্মা বা খুদির স্বরূপ জানা যায়।

০৬. ইকবালের দর্শনের মৌল ধারণা কয়টি ও কী কী?
উত্তর : ইকবালের দর্শনের মৌল ধারণা চারটি। যথা : ১. স্বজ্ঞা, ২. খুদি, ৩. জগৎ এবং ৪. আল্লাহ।

০৭. ইকবালের মতে জ্ঞানের অনিবার্য উৎস কী?
উত্তর : ইকবালের মতে স্বজ্ঞা জ্ঞানের অনিবার্য উৎস হলো অভিজ্ঞতা।

০৮. ইবনে খালদুন কে ছিলেন?
উত্তর : ইবনে খালদুন ছিলেন একজন বিখ্যাত মুসলিম দার্শনিক, সমাজচিন্তাবিদ ও ইতিহাসবেত্তা।

০৯. ইবনে খালদুন কোন দেশের দার্শনিক ছিলেন?
উত্তর : ইবনে খালদুন তিউনিসিয়ার দার্শনিক ছিলেন।

১০. রাষ্ট্রের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত ইবনে খালদুনের মতবাদটির নাম কী?
উত্তর : রাষ্ট্রের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত ইবনে খালদুনের মতবাদটির নাম হলো ‘আসাবিয়া’।

১১. মোল্লা সদরার পূর্ণনাম কী?
উত্তর : মোল্লা সদরার পূর্ণনাম সদরউদ্দিন আল সিরাজি।

১২. মোল্লা সাদরার মতে দর্শনের বিভাগ কয়টি ও কী কী?
উত্তর : মোল্লা সাদরার মতে দর্শনের বিভাগ দুটি। যথা : ১. তাত্ত্বিক ও ২. ব্যবহারিক।

১৩. আল গাজালির মতে জ্ঞানের প্রকৃত উৎস কী?
উত্তর : আল গাজালির মতে জ্ঞানের প্রকৃত উৎস হলো স্বজ্ঞা।

১৪. ইবনে তোফায়েল কোন ধরনের দার্শনিক ছিলেন?
উত্তর : ইবনে তোফায়েল বুদ্ধিবাদী ও মরমীবাদী দার্শনিক ছিলেন।

১৫. ‘হাই ইবনে ইয়াকযান’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর : ‘হাই ইবনে ইয়াকযান’ গ্রন্থের রচয়িতা ইবনে তোফায়েল।

১৬. ইবনে রুশদের মতে জ্ঞান কয় প্রকার?
উত্তর : ইবনে রুশদের মতে জ্ঞান তিন প্রকার। যথা : ১. আলংকারিক, ২, যুক্তিসিদ্ধ এবং ৩. প্রতিপাদক।

১৭. ‘Tahafut Al Tahafut’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
অথবা, “তাহফাতুল তাহফাত’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?

উত্তর : ‘Tahafut Al Tahafut’ বা ‘তাহাফাতুল তাহফাত’ গ্রন্থের রচয়িতা ইবনে রুশদ।

১৮. ইবনে মিশকাওয়াহর মতে আত্মা কয়টি অংশ?
উত্তর : ইবনে মিশকাওয়াহর মতে আত্মার তিনটি অংশ।

১৯. ইবনে সিনার মতে আত্মা কত প্রকার ও কী কী?
উত্তর : ইবনে সিনার মতে আত্মা তিন প্রকার। যথা : ১. উদ্ভিদ আত্মা, ২. জীবাত্মা ও ৩. মানব আত্মা।

২০. ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’ কাকে বলা হয়?
উত্তর : আল গাজালিকে ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’ বলা হয়।

২১. আল গাজালির দার্শনিক পদ্ধতির নাম কী?
উত্তর : আল গাজালির দার্শনিক পদ্ধতির নাম হলো সংশয়বাদ।

২২. আল গাজালির মতে জ্ঞানের উৎস কী?
উত্তর : আল গাজালির মতে জ্ঞানের উৎস ওহি বা প্রত্যাদেশ।

২৩. আল কিন্দির মতে জ্ঞানের উৎস কী?
উত্তর : আল কিন্দির মতে জ্ঞানের উৎস হলো বুদ্ধি ও অভিজ্ঞতা।

২৪. আল কিন্দির মতে জগতের মৌলিক উপাদানগুলো কী?
উত্তর : আল কিন্দির মতে জগতের মৌলিক উপাদানগুলো হলো জড়, আকার, গতি, দেশ ও কাল।

২৫. আল ফারাবিকে কী উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
অথবা, আল ফারাবি কী উপাধিতে ভূষিত হন?
উত্তর : আল ফারাবিকে শিক্ষক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

২৬. মুসলিম দর্শনে ‘দ্বিতীয় শিক্ষক’ বলা হয় কাকে?
উত্তর : মুসলিম দর্শনে ‘দ্বিতীয় শিক্ষক’ বলা হয় আল ফারাবিকে।

২৭. আল ফারাবির মতে রাষ্ট্র কত প্রকার ও কী কী?
উত্তর : আল ফারাবির মতে চার প্রকার। যথা : ১. কল্যাণ রাষ্ট্র, ২. অকল্যাণ রাষ্ট্র, ৩. অনৈতিক রাষ্ট্র ও ৪. ভ্রান্ত রাষ্ট্র।

২৮. আল কিন্দির দুইটি বইয়ের নাম লেখ।
উত্তর : আল কিন্দির দুইটি বইয়ের নাম হলো- On the Five Essence ও On the Intellect.

২৯. ফালাসিফা সম্প্রদায়ভুক্ত তিনজন দার্শনিকের নাম লেখ।
উত্তর : ফালাসিফা সম্প্রদায়ভুক্ত তিনজন দার্শনিকের নাম হলো- ১. আল কিন্দি, ২. আল ফারাবি ও ৩. আল গাজালি।

৩০. ফালাসিফা সম্প্রদায়ভুক্ত দুইজন দার্শনিকের নাম লেখ।
উত্তর : ফালাসিফা সম্প্রদায়ভুক্ত দুইজন দার্শনিক হলেন— ১. আল কিন্দি ও ২. আল ফারাবি।

চূড়ান্ত মুসলিম দার্শনিকবৃন্দ সাজেশন 2024

খ-বিভাগ – মুসলিম দার্শনিকবৃন্দ সাজেশন

০১ঃ আল কিন্দিকে প্রথম আরবীয় দার্শনিক বলা হয় কেন?

০২ঃ বুদ্ধিবৃত্তির শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কে আল-ফারাবির মত আলোচনা কর ।

০৩ঃ ইবনে সিনাকে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক বলা হয় কেন?

০৪ঃ আল-গাজ্জালিকে ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’ বলা হয় কেন?

০৫ঃ ইবনে রুশদের জ্ঞানতত্ত্ব আলোচনা কর ।

০৬ঃ সমাজ বিবর্তনে ইবনে খালদুনের বক্তব্য আলোচনা কর ।

০৭ঃ মুহাম্মদ ইকবালকে নবজাগরণের দার্শনিক বলা হয় কেন?

০৮ঃ ইবনে খালদুনের আসাবিয়া তত্ত্বটি ব্যাখ্যা কর ।

০৯ঃ শাহ ওয়ালিউল্লাহর দর্শন আলোচনা কর ।

১০ঃ আল-গাজালি কেন স্বজ্ঞাকে জ্ঞানের উৎস হিসেবে গ্রহণ করেন?

১১ঃ মুসলিম দর্শনে আল-ফারাবিকে ‘দ্বিতীয় এরিস্টটল’ বলা হয় কেন?

গ-বিভাগ – মুসলিম দার্শনিকবৃন্দ সাজেশন

০১ঃ আল-কিন্দির অধিবিদ্যা আলোচনা কর ।

০২ঃ আল-ফারাবির অধিবিদ্যা আলোচনা কর ।

০৩ঃ ইবনে-সিনার দর্শন আলোচনা কর । মুসলিম দর্শনে তার গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর ।

০৪ঃ মুসলিম দর্শনে আল গাজ্জালির অবদান আলোচনা কর ।

০৫ঃ ইবনে রুশদ কিভাবে ধর্মের সাথে দর্শনের সমন্বয় করেন? আলোচনা কর ।

০৬ঃ আল্লাহর অস্তিত্ব সম্পর্কে মোল্লা সাদরার মতামত আলোচনা কর ।

০৭ঃ ইকবালের খুদিতত্ত্ব ব্যাখ্যা কর এবং দর্শনে এর তাৎপর্য নিরূপণ কর।

০৮ঃ ইচ্ছার স্বাধীনতা সম্পর্কে শাহ ওয়ালীউল্লাহর ধারণা উল্লেখ কর ।

০৯ঃ সুফিদর্শনে আল-গাজালির অবদান আলোচনা কর ।

প্রযুক্তির বাংলা ওয়েব সাইটে আমরা দর্শন বিভাগের সকল বিষয়ের সাজেশন প্রকাশ করেছি। যা তোমরা সম্পূর্ণ ফ্রিতে সংগ্রহ করতে পারবে। সাজেশন ভালো লাগলে ভোট দিবেন এবং কমেন্ট করবেন। শুভ কামনা রইল সকলের জন্য। প্রযুক্তির বাংলার সাথেই থাকুন।