চিয়া সিড এর উপকারিতা ও অপকারিতা [চিয়া সিড এর খুঁটিনাটি]

5/5 - (1 vote)

চিয়া সিড এর উপকারিতা – চিয়া সিড যা সুপারফুড নামে বেশি খ্যাতি অর্জন করেছে। আমরা অনেকেই হয়তো চিয়া সিড এর নাম শুনেছি। প্রাচীন কালে কিছু জাতি চিয়া সিড কে সোনার চেয়ে ও মূল্যবান মনে করতো। এটি একটি বীজ জাতীয় উদ্ভিদ। সকল ধরণের ভেষজ ঔষধ এর ক্ষেত্রে বীজ জাতিয় উদ্ভিদ সবচেয়ে ভালো কাজ করে থাকে।

চিয়া সিড ভেষজ ঔষধ হিসেবে মানব শরিরে বিভিন্ন ধরণের উপকার করে থাকে। আমরা অনেকেই চিয়া সিড এর উপকারিতা সম্পর্কে জানি না। আপনি যদি চিয়া সিড এর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আর্টিকেল টি আপনাকে শেষ পর্যন্ত পড়তে হবে। যদি আপনি পূর্বে চিয়া সিড না খেয়ে থাকেন তাহলে সিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কেও দেখে নিন।

চিয়া সিড এর পরিচয়

চিয়া সিড সম্পর্কে বলতে গেলে সবার প্রথমে আসে চিয়া সিড আসলে কী? কিভাবে চিয়া সিড আমাদের দেশে এসেছে। আমরা অনেকে পুদিনা চিনি সাধারণত পুদিনা ধরণের একটি ধরণের বীজ কে সিয়া সিড বলা হয়। এখানে, গাছের নাম টি হলো চিয়া। মধ্য আমেরিকা ও মেক্সিকোতে চাষ চিয়া গাছের চাষ করা হয় আর এই চিয়া গাছের বীজ কে চিয়া সিড বলে। আশা করি চিয়া সিড কি সে সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারণা পেয়েছেন।

চিয়া সিড এর গুনাগুন

চিয়া সিডে প্রচুর পরিমানে স্বাস্থ্য গুনাগুন রয়েছে। নিচে আমরা প্রতি ১০০ গ্রাম চিয়া সিড যে সকল পুষ্টি বিদ্যমান থাকে তা দিয়ে দিলাম –

  •       শক্তি – ২,০৩০ কিজু
  •       শর্করা – ৪২.১ g
  •       খাদ্য আশ – ৩৪.৪ g
  •       স্নেহ পদার্থ – ৩০.৭ g
  •       প্রোটিন – ১৬.৫ g
  •       ভিটামিন এ  – ৫৪ মিলি গ্রাম
  •       থায়ামিন বি১ – ০.৬২ মি্লি গ্রাম
  •       রিবোফ্লোভিন বি২ – ০.১৭ মিলি গ্রাম
  •       নায়াসিন বি৩ – ৮.৮৩ মিলি গ্রাম
  •       ফোলেট বি৯ – ৪৯ ug
  •       ভিটামিন সি – ১.৬ মিলি গ্রাম
  •       ভিটামিন ই – ০.৫ মিলি গ্রাম
  •       ক্যালসিয়াম – ৬৩১ মিলি গ্রাম
  •       লৌহ – ৭.৭ মিলি গ্রাম
  •       ম্যাগনেসিয়াম – ৩৩৫ মিলি গ্রাম
  •       ম্যাঙ্গানিজ – ২.৭২ মিলি গ্রাম
  •       ফসফরাস – ৮৬০ মিলি গ্রাম
  •       পটাশিয়াম – ৪০৭ মিলি গ্রাম
  •       জিংক – ৪.৬ মিলি গ্রাম
  •       পানি – ৫.৮ g

চিয়া সিড এর উপকারিতা

চিয়া সিড এর উপকারিতা

বিশেষজ্ঞ অনেকের ধারণা মতে – একটা মুরগির ডিম এর চেয়েও অনেক বেশি প্রোটিন থাকে চিয়া সিডে। চিয়া সিড প্রচুর গুনাগুন সম্পন্ন একটি বীজ। চিয়া সিড এর নানান স্বাস্থ উপকারিতা গুলো নিচে থেকে দেখে নিতে পারেন –

১ – শরিরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

চিয়া সিড এর মধ্যে থাকা উপাদান গুলোর মধ্যে পাওয়া যায্য প্রচুর পরিমানে এন্ট্যিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের শরিরের ইম্যুয়েন সিস্টেম কে শক্তিশালি করতে সাহায্য করে থাকে। শরিরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যতো ভালো থাকবে ততই রোগের প্রকোপ কমতে থাকবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খেতে পারেন চিয়া সিড।

২ – হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে চিয়া সিড

চিয়া সিডের মধ্যে প্রচুর পরিমানে ক্যালশিয়াম বিদ্যমান থাকে। যা আমাদের শরিরের হাড় শক্ত করতে সাহায্য করে থাকে। শরিরের হাড় শক্ত করার পাশাপাশি দাত শক্ত করতেও বেশ উপকারি হলো চিয়া সিড।

৩ – ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে চিয়া সিড

ডায়াবেটিস একটি জটিল ও দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা। যা থেকে পরিত্রান পাওয়ার কোনো উপায় নেই তবে বিভিন্ন মাধ্যমে খাবার এর মাধ্যমে এটা নিয়ন্ত্রণ করে রাখা যায়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অনেকেই বিভিন্ন ধরনের ভেষজ উদ্ভিদ বিভিন্ন খেয়ে থাকেন তার সাথে আপনি চাইলে সিয়া সিড খেতে পারেন।

📌 আরো পড়ুন 👇

আর যদি আপনার ডায়াবেটিস না থাকে তাহলে ডায়াবেটিস হওয়ার চান্স অনেকটা কমবে চিয়া সিড খাওয়ার ফলে।

৪ – ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে চিয়া সিড

ঘুমের সমস্যা বর্তমানে একটি সবচেয়ে কমন সমস্যা। শরির এর পাশাপাশি মানুষিক ভাবে সুস্থ থাকার জন্য পরিমান মতো ঘুম সবচেয়ে বেশি দরকার। অনেকেই ঘুমের সমস্যার জন্য ঘুমের ঔষধ সেবন করেন যা আমাদের কিডনির জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। ঘুম ভালো ভাবে হওয়ার জন্য আপনি চিয়া সিড খেয়ে দেখতে পারেন, এতে আপনার ঘুমে ব্যঘাত ঘটবে না। বরং চিয়া সিড আপনার ঘুম ভালো করে দিবে।

৫ – গ্যাসের সমস্যার সমাধানে চিয়া সিড এর উপকারিতা

গ্যাসের সমস্যা পেটের বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে অন্যাতম। গ্যসের সমস্যা থেকে পরিত্রান পাওয়া অনেক কঠিন। তবে ভাজা – পোড়া না খেলে গ্যাসের সমস্যা থেকে অনেকটা দূরে থাকা যায়। আপনার যদি গ্যাসের সমস্যা থাকে তাহলে চিয়া সিড খেতে পারেন। এতে আপনার গ্যাসের সমস্যা অনেকটা সমাধান হয়ে যাবে।

৬ – হার্টের সুস্থতায় চিয়া সিড এর উপকারিতা

হার্ট আমাদের শরিরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের মধ্যে একটি। হার্ট সুস্থ রাখার জন্য চিয়া সিড ভালো ভাবে কাজ করে থাকে। হার্টের সুস্থতা নিশ্চিত করতে খেতে পারেন চিয়া সিড।

৭ – ওজন কমাতে সাহায্য করে চিয়া সিড

চিয়া সিড এর পুষ্টি গুন এর মধ্যে সরাসরি ভাবে ওজন কমানোর কোনো উপাদান নেই। তবে চিয়া সিড এর মধ্যে প্রচুর পরিমানে ফাইবার উপাদান বিদ্যমান আছে। ফাইবার খাওয়ার ফলে আমাদের পেট দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ভরা থাকে যার ফলে ক্ষুদামন্দা তৈরি হয়। এর ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওর প্রবণতা কমে আর এভাবে আপনার ওজন  কমাতে সাহায্য করে চিয়া সিড।

৮ – কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে চিয়া সিড

চিয়া সিডের উপাদান এর মধ্যে আছে ওমেগা-৩ এসিড যা ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে থাকে। ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল কমাতে খেতে পারেন নিয়মিত চিয়া সিড।

৯ – হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে চিয়া সিড

পেটের বিভিন্ন ধরণের প্রদাহ জনিত সমস্যা দূর করে চিয়া সিড। হজম শক্তি কম থাকার ফলে গ্যাস এর সমস্যা সহ বিভিন্ন প্রদাহ দেখা যায় পেটের মধ্যে। আপনার যদি হজম শক্তি কম থাকে আর তা যদি বৃদ্ধি করতে চান তাহলে চিয়া সিড খেয়ে দেখতে পারেন। বিশেষজ্ঞদের মতে হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে ভালো উপকারিতা দেয় চিয়া সিড।

১০ – ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে চিয়া সিড

ত্বক সুন্দর রাখার জন্য আমরা কতই না ক্যামিকেল ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু আপনি কি জানেন? ত্বক সুন্দর রাখার জন্য ভেষজ উদ্ভিদ গুলো সবচেয়ে ভালো কাজ করে থাকে। বয়স হওয়ার পূর্বেই অনেকের ত্বকে বয়সের ছাপ পরে যদি আপনি এই সমস্যা দূর করে সতেজ ত্বক রাখতে চান তাহলে চিয়া সিড খেতে পারেন।

১১ – চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে চিয়া সিড

চুল পরা একটি নিত্যদিনের অধিকাংশ মানুষের সমস্যা। চুল পরা কমাতে আপনি চিয়া সিড এর ব্যবহার করতে পারেন চুলের মধ্যে। চুলে চিয়া সিড দেয়ার নিয়ম আমরা নিচে দিয়ে দিবো।

এ ছাড়াও নানান ধরণের সাহায্য করে থাকে চিয়া সিড। চিয়া সিড খাওয়ার সাথে সাথে আপনি এর উপকারিতা গুলো দেখতে পাবেন না, কারণ ভেষজ ঔষধ যেমন ধীরে ধীরে কাজ শুরু করে ঠিক তেমন ভাবেই চিয়া সিড ধীরে ধীরে কাজ করে থাকে।

চিয়া সিড এর অপকারিতা

চিয়া সিড এর অনেক উপকারিতা সম্পর্কে তো উপরেই জানলাম এবার চলুন জেনে নেই চিয়া সিড এর অপকারিতা গুলো সম্পর্কে। চিয়া সিড অনেক গুনাগুন সমৃদ্ধ বীজ হলেও চিয়া সিড অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে অনেক অপকারিতার দিক ফুটে উঠে। কোনো কিছুই অতিরিক্ত খাওয়া ভালো নয় চিয়া সিড ও অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে আপনার যে সকল সমস্যা দেখা দিতে পারে সেগুলো হলো –

  1. অনেক গবেষনায় দেখা গেছে যে চিয়া সিড এর কারণে স্তন ক্যান্সার বেড়ে যেতে পারে।
  2. চিয়া সিডের মধ্যে প্রচুর পরিমানে ফাইবার থাকে যা শরিরের জন্য ভালো মাত্রা অনুযায়ী। মাত্রার চেয়ে বেশি ফাইবার হয়ে গেলে এর ফলে পেট ব্যাথা, পেট ফাপা ইত্যাদি পেটের প্রদাহ দেখা দিতে পারে। এজন্য সিয়া সিড যদি খেতে চান তবে পরিমানে এর চেয়ে বেশি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
  3. রক্তচাপ কমিয়ে দিতে পারে চিয়া সিড। সাধারণত চিয়া দেহের রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে তবে আপনি যদি বেশি পরিমানে চিয়া সিড খেয়ে থাকেন তাহলে সেটা অতিরিক্ত কমে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
  4. পরিমানের বেশি ও প্রতিদিন চিয়া সিড খাওয়ার ফলে ক্ষুদা লাগার প্রবণতা অনেক কমতে থাকবে যার ফলে ওজন অতিরিক্ত ভাবে কমতে শুরু করতে পারে।
  5. চিয়া সিড খাওয়ার পরে প্রচুর পরিমানে পানি খেতে হবে অন্যথায় উচ্চ মাত্রার ফাইবার পেটের মধ্যে প্রদাহ জনিত বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করবে।

এ ছাড়াও আপনার যদি এলার্জির সমস্যা থাকে তাহলে চিয়া সিড খাওয়ার পর এলার্জি বাড়তে পারে। তবে চিয়া সিড যদি দৈনিক খেতে চান তবে একজন রেজিষ্টার্ড ডাক্তার এর পরামর্শ গ্রহণ করতে পারেন।

চিয়াসিড খাওয়ার নিয়ম

চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম

চিয়া সিড এর স্বাস্থ্য উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত উপরের অংশে তুলে ধরলাম তবে চিয়া সিড কিভাবে খাবেন সে সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। আর্টিকেলের এ পর্যায় আমরা চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানবো –

চিয়া সিড উচ্চ ফাইবার যুক্ত একটি বীজ যা পরিমান মতো খেতে হবে। অতিরিক্ত চিয়া সিড খাওয়ার ফলে ডায়রিয়া ও হতে পারে, তাই চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম অনুযায়ী চিয়া সিড খেতে হবে।

📌 আরো পড়ুন 👇

সাধারণত স্বাদ ও গন্ধহীন একটি উদ্ভিদ হলো চিয়া সিড। চিয়া সিড এর কোনো স্বাদ নেই তাই আপনি চাইলে এটা বিভিন্ন খাবারের সাথে মিলিয়ে খেতে পারেন। আমরা প্রায় সকলেই সালাদ পছন্দ করি আপনি চাইলে কয়েকটি চিয়া সিড সালাদের মধ্যে দিয়ে খেতে পারেন।

বিভিন্ন নাস্তার সাথে চিয়া সিড খাওয়া যায় এতে স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। তবে সবচেয়ে ভালো একটা পদ্ধতি হলো পানিতে ভিজিয়ে চিয়া সিড খাওয়া। চিয়া সিড খাওয়ার পূর্বে ৩০ মিনিট বিশুদ্ধ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন এর পরে এটা খালি পেটে খেলে ভালো উপকারিতা পাওয়া যায়।

চিয়া সিড এর বীজ গলায় আটকে যাওয়ার চান্স থাকে। তাই চিয়া সিড খাওয়ার সমস্যায় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যেন গলায় আটকে না যায়। এ ছাড়াও আপনি চাইলে চিয়া সিড বিভিন্ন কেক এর সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন। এটা সরাসরি ও খেতে পারেন যেহেতু এটার কোনো স্বাদ নেই তাই কিছুর সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন।

চুলের যন্তে চিয়া সিড

চুল ঘন ও লম্বা করতে চিয়া সিড সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে। চিয়া সিড খাওয়ার ফলেও উপকারিতা পাওয়া যায়। তবে শুধু মাত্র চুলে উপকারিতা পাওয়ার জন্য আপনি বিভিন্ন ধরণের মাস্ক বানিয়ে চুলে ব্যবহার করতে পারেন। চিয়া সিড এর মাস্ক ব্যবহার করলে চুলে অনেক পুষ্টি গুনাগুন পাওয়া যায়।

📌 আরো পড়ুন 👇

চিয়া সিডের চুলে মাস্ক যেভাবে তৈরি করবেন – প্রথমে একটি বাটিতে এক কাপ পরিমান গুরম পানি নিন। এর পরে পানির মধ্যে দুই টেবিল চামচ চিয়া সিড ২০ মিনিটের মতো ভিজিয়ে রেখে দিন। এরপরে চিয়া সিড মেশানো পানি সাথে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এভাবে পর্যায়ক্রমে কয়েকদিন ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাবেন।

চিয়া সিড কত টাকা কেজি

বাংলাদেশে এখনো চিয়া সিড বানিজ্যিক ভাবে চাষ করা হয় না। আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে ১ কেজি চিয়া সিড কিনতে চান তাহলে দাম পরবে প্রায় ১১০০ টাকার মতো।

চিয়া সিড সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন‌উত্তর

চিয়া সিড খেলে কি হয়?

চিয়া সিড পরিমান মতো খেলে নানা ধরণের স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। কিন্তু পরিমানে অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে বিভিন্ন ধরণের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

চিয়া সিড কিভাবে ওজন কমায়?

চিয়া সিডে প্রচুর পরিমানে ফাইবার থাকে। ফাইবার আমাদের শরিরে ক্ষুদামন্দা তৈরি করে। যার ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রয়োজন হয় না ঠিক এভাবেই মূলত চিয়া সিড ওজন কমাতে সাহায্য করে।

চিয়া সিড সম্পর্কে আমাদের মতামত

চিয়া সিড এর উপকারিতা – আর্টিকেলে আমরা চিয়া সিড এর সকল উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত লিখলাম। আপনি যদি চিয়া সিড খেতে চান তাহলে এর গুনাগুন, উপকারিতা গুলো সম্পর্কে ভালো ভাবে জেনে নিয়ে তবেই খাবেন। 

তবে,  আমাদের লেখা আর্টিকেল টি কোনো ডাক্তার কতৃক কোনো রোগের বিরুদ্ধে দেয়া পরামর্শ নয়। তারপরও যদি আপনার সন্দেহ হয় তবে আপনি ডাক্তার এর পরামর্শ নিয়ে চিয়া সিড খেতে হবে।

এছাড়াও, আরও কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই মন্তব্য করবেন। আমরা আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো। এতক্ষন প্রযুক্তির বাংলা ব্লগের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।