ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম। ইসবগুলের ভুসির উপকারিতা ও অপকারিতা

5/5 - (1 vote)

ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম – ইসবগুলের ভুসি আমরা সবাই এর নাম কম বেশি শুনেছি। আবার অনেকেই আছি যা আমরা প্রতিনিয়ত খাই। ইসবগুলের ভুসিতে অনেক ধরণের সাস্থ্য উপকারিতা আছে। ইসবগুল এক ধরণের বীজ থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণ করা হয়।

আপনি যদি ইসবগুলের ভুসি সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পেতে চান তাহলে আজকের আর্টিকেল টি শেষ পর্যন্ত পড়ে ফেলুন। আমাদের আজকের আর্টিকেলে ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে আপনাদের জানাবো। নিয়ম মেনে ইসব গুলোর ভুসি খেতে পারলে আপনার স্বাস্থ্য পূর্বের তুলনায় অনেক তা ভালো থাকবে।

ইসবগুল কি

ইসবগুলের ভুসির নানান উপকারিতা ও অপকারিতা জানার পূর্বে আমাদের ইসবগুল সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা নেয়া দরকার। ইসবগুল সাধারণত বীজ থেকে আসে বাহিরের দেশ গুলোতে সিলিয়াম হিসেবে পরিচিত।

বাজারে সাধারণত দুই ধরণের ইসবগুল পাওয়া যায় যেমন –

  • ইসবগুলের ভুসি
  • ইসবগুলের গুড়া

ইসবগুলের ভুসি সাধারণত মেশিনের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাতকরণ সম্পন্ন করে না। এটা গাছ থেকে সংগ্রহ করে পরিস্কার করে বাজারজাত করা হয়। সবচেয়ে আর্গানিক ইসবগুল হলো ইসবগুলের ভুসি।

ইসবগুলের গুড়া যেগুলা পাওয়া যায় এগুলা মূলত ব্যবসার উদ্দ্যেশে তৈরি করা হয়। মেশিনের মাধ্যমে গুড়া করা হয় কিছু ক্যামিকেল যুক্ত করে আকর্ষনীয় করা হয়।

ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম

ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম

ইসবগুলের ভুসি পরিমান মতো খেতে হয়, পরিমান এর বেসি কোনো জিনিস খাওয়া ভালো নয় এতে উপকারের চেয়ে অপকারিতার দিক বেশি উন্মোচিত হয়। সাধারণত অনেক ভাবে ইসবগুলের ভুসি খাওয়া যায়। নিচে কয়েকটি ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম দিলাম –

  • এক গ্লাস পানিতে 2 চামচ ইসবগুলের ভুসি 30 থেকে 40 মিনিট ভিজিয়ে রেখে খাওয়া যায়।
  • কুসুম গরম / ঠান্ডা পানিতে 1 চামচ ইসবগুলের পাউডার অথবা ভুসি মিশিয়ে সাথে সাথে খেতে পারেন।
  • 1 গ্লাস শরবতের সাথে এক চামন ইসবগুলের ভুসি মিশিয়ে খেতে পারেন।

ইসবগুলের ভুসি কি পরিমান খাবেন এটা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খেতে হবে। প্রচলিত রয়েছে দিনে 5 থেকে 10 গ্রাম এর বেশি ইসবগুলের ভুসি খাওয়া ঠিক নয়। যদি আপনি ডাক্তার এর পরামর্শ ছাড়া খেতে চান সেক্ষেত্রে দিনে 1 চামচ এর বেশি খাওয়ার চেষ্টা করবেন না।

সাথে অবশ্যই কম পক্ষে এক গ্লাস পরিমান পানি মিশাতে হবে এক চামচ ইসবগুলের ভুসির সাথে। ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার পরেও সঠিক পরিমান পানি পান করবেন।

ইসবগুলের ভুসি কেন খাবেন

ইসবগুলের ভুসি কেন খাবেন

ইসবগুলের ভুসিতে অনেক ধরণের উপকারিতা আছে যা আমরা নিচে ইসবগুলের উপকারিতা স্থানে উল্লেখ্য করেছি। ইসব গুলের ভুসি অনেক ধরণের সমস্যা থেকে আমাদের মুক্ত রাখে সাধারণ সব সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি দেয়।

তাছাড়াও এর মধ্যে অনেক ঔষধি গুন বিদ্যমান থাকায় আমাদের শরিরের বিভিন্ন অংগ কে বিশেষ ভাবে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সাধারণত যেসব কারণের জন্য ইসবগুলের ভুসি খাবেন সেগুলো হলো –

১। হার্ট ভালো‌ রাখে

আমাদের শরিরের অন্যতম প্রধান একটি অংশ হলো আমাদের হার্ট। হার্টের সুস্থতা নিশ্চিত করতে আমাদের চিন্তার শেষ নেই। যদি ইসবগুলের ভুসি হার্টের সুস্থতায় ভাল কাজ করে থাকে। এসবগুলের ভুসিতে ফাইবার থাকে যা হার্টের জন্য উপকারি।

২। প্রসাবের সমস্যা দূর করে

প্রসাবের অনেক সমস্যার মধ্যে অন্যতম একটি সমস্যা হলো জ্বলাপোড়া হওয়া। এ সমস্যা সমাধান করার জন্য বেশ ভালোভাবে কাজ করে থাকে ইসবগুলের ভুসি। প্রসাবের সমস্যা দূর করতে ইসবগুলের ভুসি অতুলনীয়।

৩‌। পেটের সমস্যা দূর করে

পেটে বিভিন্ন ধরণের প্রদাহ এর জন্য বিশেষ ভাবে উপকারি হলো ইসবগুলের ভুসি। সাধারণত পেট খারাপ, আমাশয়, ডায়রিয়া, হজম শক্তির দূর্বলতা, পেটের গ্যস ইত্যাদি সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

৪। পাইলসের সমস্যা দূর করে

পাইলসের সমস্যার কারণে অনেকেই ব্যাথায় ভুগেন। ইসবগুলের ভুসি মল কে নরম করতে সাহায্য করে এতে আপনার পাইলসের সমস্যা থাকলেও অনেকটা উপকারিতা পাবেন আশা করা যায়।

৫। ওজন কমাতে সহায়তা করে

অতিরিক্ত ওজন আমাদের বিভিন্ন রোগের মধ্যে ডুবিয়ে দেয়, ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ইসবগুলের ভুসি বেশ ভালো ভাবে কাজ করে থাকে।

৬। ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপকারি

ডায়াবেটিস এর রোগিরা ও রক্তে গ্লুকোজের পরিমান কমাতে খেতে পারেন ইসবগুলের ভুসি। ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য বেশ উপকারি। অনেক রোগীদেরকে ডাক্তার এটি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

নিচে আপনারা এ সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে ধারণা পেয়ে যাবেন কেন আপনার খাওয়া উচিত ইসবগুলের ভুসি।

ইসবগুলের ভুসি খেলে কি হয়

ইসবগুলের ভুসি খেলে কি হয় এ ধরণের প্রশ্ন অনেকেই গুগলে খুজে থাকেন। ইসবগুলের ভুসিতে আপনার যদি পার্শপ্রতিক্রিয়া না হয় তাহলে অনেক ধরণের উপকারিতা পাবেন। আপনার শরিরে বিভিন্ন ধরণের রোগের উপকারিতার ক্ষেত্রে বেশ ভালো ভাবে কাজ করে।

বিশেষ ভাবে – পেটের বিভিন্ন ধরনের সমস্যার জন্য ঔষধ এর মতো কাজ করে ইসবগুলের ভুসি। আবার অনেকের ক্ষেত্রে অপকারিতার দিক গুলো দেখা যায়। যদি আপনি ইসবগুলের ভুসি খেতে চান তাহলে আমাদের আর্টিকেলের ইসবগুলের ভুসির উপকারিতা ও অপকারিতা গুলো ভালো ভাবে পড়ে নিবেন।

ইসবগুলের ভুসি উপকারিতা

ইসবগুলের ভুসি উপকারিতা ও অপকারিতা

ইসবগুলের ভুসিতে প্রচুর পরিমানে স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। এর মধ্যে যেসব উপকারিতা গুলো উল্লেখ্যযোগ্য সেগুলো হলো –

১। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ইসবগুলের ভুসি

যদি জানতে চান ইসবগুলের ভুসির উপকারিতা আসলে কি তাহলে প্রথমেই এটা বলতে হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য বর্তমানে অনেকটা কমন রোগে রুপান্তরিত হচ্ছে। কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা নিয়মিত ইসবগুলের ভুসি খেতে পারেন। ইসবগুলের ভুসি তে আপনার কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য সুফল পাবেন।

সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্য রোগীদের ক্ষেত্রে 5 থেকে 10 গ্রাম ইসবগুলের ভুসি 40 মিনিট ভিজিয়ে রেখে সকালে বা রাতে শোয়ার পূর্বে খেলে উপকারিতা পাওয়া যায়।

২। ওজন কমাতে সাহায্য করে ইসবগুলের ভুসি

ওজন কমানোর জন্য খাদ্যতালিকায় অনেকেই পরিবর্তন নিয়ে আসেন। তবে খাদ্য তালিকায় যুক্ত করতে পারেন ইসবগুলের ভুসি। অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে ইসবগুলের ভুসি।

ইসবগুলের ভুসি খেলে দীর্ঘসময় পর্যন্ত পেট ভরা ভাব থাকে যার ফলে অতিরিক্ত কোনো খাবার এর প্রয়োজন পরবে না, সহজেই ডায়েট করতে পারবেন।

৩। পেটের পীড়া দূর করে ইসবগুলের ভুসি

পেটের পীড়া কমানোর জন্য যে কোনো ঔষুধের তুলনায় সবচেয়ে ভালো ভাবে কাজ করে ইসবগুলের ভুসি। ইসবগুলের ভুসি খুব অল্প সময়ের মধ্যে পেট পরিস্কার করে দিতে পারে।

পেটের হজম শক্তি বাড়াতে প্রাচীন কাল থেকেই ইসবগুলের ভুসির ব্যবহার দেখা যায়। যদি আপনার পেটের পীড়া বা হজম শক্তি তে কোনো সমস্যা থেকে থাকে তাহলে নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন ইসবগুলের ভুসি।

৪। প্রসাবে জ্বালাপোড়া দূর করে ইসবগুলের ভুসি

প্রসাবের সময় জ্বালাপোড়া অনেক বিরক্তিকর একটা সমস্যা। আমাদের মধ্যে অনেকের মধ্যে এ ধরণের সমস্যা দেখা যায়। প্রসাবের এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে খেতে পারেন ইসবগুলের ভুসি। সকালে বা বিকালে শরবতের সাথে 1 চামচ ইসবগুলের ভুসি খেলে এ ধরণের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৫। আমাশয় দূর করতে ইসবগুলের ভুসি

যদি আপনি আমাশয় এর মতো সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে ইসবগুলের ভুসি আপনার জন্য সবচেয়ে ভালোভাবে কাজ করবে।

সাধারণত আমাশয়ের ঔষধ আমাশয়ের জীবানুগুলোকে হত্যা করে যার ফলে পরে আবার হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। কিন্তু আপনি যদি এক গ্লাস শরবত ইসবগুলের ভুসি মিশিয়ে খান তাহলে আমাশয়ের জীবানু গুলো বের হয়ে যাবে।

৬। ডায়রিয়া নিরাময়ে ইসবগুলের ভুসি

ডায়রিয়া খুব সাধারণ একটি সমস্যা হলেও মাঝে মাঝে এটি সবচেয়ে বিপদজনক ও হতে পারে। ডায়রিয়ার সমস্যায় অনেকটা ভালো ভাবেই কাজ করে ইসবগুলের ভুসি। দুই চামচ ভুসি 1 গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খেলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৭। পাইলসের সমস্যায় ইসবগুলের ভুসির উপকারিতা

পাইলসের সমস্যার কারণে অনেকেই ব্যাথায় ভুগে থাকেন। মল কে নরম রাখার ক্ষেত্রে কাজ করে ইসবগুলের ভুসি। যদি আপনার পাইলসের সমস্যা থেকে তাহলে প্রতিদিন সকাল ও সন্ধায় ইসবগুলের ভুসি দিয়ে শরবত খেতে পারেন।

৮। এসিডিটি কমাতে ইসবগুলের ভুসি

সাধারণত গ্যাস্টিকের সমস্যায় যারা ভুগেন খাওয়ার পরে পেটের মধ্যে গ্যাস সৃষ্টি হয়। গ্যাস কে দমিয়ে রাখার ক্ষেত্রে কাজ করে ইসবগুলের ভুসি। আপনার যদি গ্যাসের সমস্যা থাকে সেক্ষেত্রে ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন।

৯। ডায়বেটিস রোগীদের জন্য ইসবগুলের ভুসির উপকারিতা

ডায়াবেটিস এর সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা চাইলে ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। ইসব গুলের ভুসি গ্লুকোজের মাত্রা কমিয়ে রাখতে সাহায্য করে।

এ ছাড়াও অনেক ধরণের উপকারিতা পাওয়া যায় ইসবগুলের ভুসিতে। ইসবগুলের ভুসি ঔষধি হিসেবেও স্বীকৃত একটা উদ্ভিদ। আধুনিক চিকিতসায় অনেক ধরণের ঔষধ তৈরি তে ব্যবহার করা হয় ইসবগুলের ভুসি। এ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সিরাপ তৈরি তে ইসবগুলের ভুসি ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়।

ইসবগুলের ভুসি অপকারিতা

ইসবগুলের ভুসিতে অনেক ধরণের উপকারিতার দিক থাকলেও অপকারিতার ও অনেক ধরণের দিক রয়েছে। ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার পূর্বে এর অপকারিতার দিক গুলো জানা অনেক বেশি প্রয়োজন। ইসবগুলের ভুসিতে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে এটা সবার ক্ষেত্রে নাও হতে পারে। সাধারণত ইসবগুলের ভুসি তে যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে তা হলো-

  • বমি ভাব
  • ডায়রিয়া
  • গ্যাস
  • পেট ব্যাথা
  • পেট খারাপ
  • এলার্জি
  • মুখ ও গলা ফোলা ফোলা ভাব
  • গিলতে অসুবিধা হ‌ওয়া

যদি এগুলো হয় আপনার জন্য ইসবগুলের ভুসি না খাওয়া ভালো হবে।

ইসব গুলের ভুসি খাওয়ার পূর্বে যে গুলো মেনে চলবেন

ইসব গুলের ভুসি খাওয়ার পূর্বে কিছু নিয়ম মেনে চলবেন। এতে আপনি ভালো ফলাফল পাবেন।  সেগুলো হলো –

  • এক নাগারে অনেক খাবেন না। একসাথে দীর্ঘদিন না খেয়ে মাঝে মাঝে গ্যাপ রেখে খাওয়ার চেষ্টা করুন।
  • পরিমান মতো খাওয়ার চেষ্টা করুন, পরিমানের চেয়ে বেশি খেলে সমস্যা হবে।
  • যারা বিভিন্ন রোগের ঔষধ সেবন করছেন তারা ডাক্তার এর পরামর্শ নিবেন ইসবগুলের ভুসি খওয়া যাবে কি না।
  • এ ছাড়াও শরিরের বিভিন্ন রোগ থাকলে সমস্যা হতে পারে কি না ডাক্তার এর কাছ থেকে নিশ্চির হয়ে খাবেন।

তবে যদি ইসবগুলের ভুসি খেলে আপনার পার্শপ্রতিক্রিয়া বেশি হয়, তাহলে না খাওয়া উত্তম হবে।

খালি পেটে ইসবগুলের ভুসি খেলে কি হয়

পূর্বেই জেনেছেন নিয়মিত ইসবগুলের খেলে নানা ধরনের উপকারিতা পাওয়া যায়। কিন্তু খালি পেটে ইসবগুলের ভুসি খেলে আরো বেশি উপকারিতা পাবেন। মূলত সবাই গ্যাস ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে খালি পেটে ইসবগুলের ভুসি খেলে থাকে। তবে খালি পেটে ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার অনেক উপকারিতা পাওয়া যায়।

যদি সকালে খালি পেটে ইসবগুলের ভুসি খেলে কোনো পার্শপ্রতিক্রিয়া না থাকে তবে খালি পেটে সকালে ইসবগুলের ভুসি এক গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে খেলে অনেক ধরণের উপকারিতা পাবেন।

যদি আপনার পেটে কোনো সমস্যা থাকে বা হজম শক্তি তে সমস্যা থাকে তা মুহুর্তেই দূর করতে পারবে। শুধু মাত্র যে পেটের সমস্যা দূর করবে এমন নয় বরং নানান ধরণের স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যাবে খালি পেটে ইসবগুলের ভুসি খেলে।

খালি পেটে ইসবগুলের ভুসি খেলে যা হয়:

  • কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
  • উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস থেকে রক্ষা করে
  • ডায়রিয়া উপশম করে
  • হজমে সাহায্য করে
  • হাত পায়ের জ্বালা যন্ত্রণা দূর করে
  • প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া দূর করে
  • ওজন কমাতে সাহায্য করে
  • আমাশয় থেকে রক্ষা করে
  • পেটব্যথা কমাতে সাহায্য করে 
  • পাকস্থলী ঠাণ্ডা বা শীতল রাখতে সাহায্য করে

উক্ত সমস্যাগুলো দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।

ইসবগুলের ভুসি সম্পর্কে আমার মতামত

ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম – আর্টিকেলে আমরা ইসবগুলের ভুসির উপকারিতা অপকারিতা ও বিভিন্ন প্রশ্ন সম্পর্কে একটি বিস্তারিত আর্টিকেল দিলাম। ইসবগুলের ভুসিতে যেহেতু পার্শপ্রতিক্রিয়া রয়েছে তাই ডাক্তার এর পরামর্শ ছাড়া খাওয়ার চেষ্টা করবেন না।

আবার এক নাগারে অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে অনেক ধরণের সমস্যা হতে পারে। যেসব রোগের উপকারিতার জন্য খাবেন সেগুলো আপনার আছে কিনা ডাক্তার দেখিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিবেন। আমাদের আর্টিকেল টি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

‌ইসবগুলের ভুসি সম্পর্কিত প্রশ্ন‌উত্তর

ইসবগুলের ভুসি খেলে কি মোটা হওয়া যায়?

না, ইসবগুলের ভুসি খেলে আপনি মোটা হবেন না। ইসবগুলের ভুসিতে অনেক কম পরিমানে ক্যালরি থাকে যা মোটা হতে সাহায্য করে না।

ইসবগুলের ভুসি কি ওজন কমায়?

হ্যা, ইসবগুলের ভুসি ওজন কমাতে সাহায্য করে।

ইসবগুলের ভুসি কখন খেতে হয়?

ইসব গুলের ভুসি রাতে খাওয়ার পরে খাওয়া উত্তম। তবে খাওয়ার পরে পরিমান মতো পানি খেতে হবে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

Leave a Comment