জেনে নিন মোবাইল ফোনের উপকারিতা ও অপকারিতা গুলো কি কি

5/5 - (2 votes)

আপনি কি মোবাইল ফোনের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানতে চান? তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য। কেননা আজ আমরা মোবাইল ফোনের উপকারিতা ও অপকারিতা সর্ম্পকে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

আপনি হয়তো প্রতিদিন মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকেন। মোবাইল ফোন থেকে নানা ধরনের সুবিধা ভোগ করেন। কিন্তু আপনি কি জানেন, মোবাইল ফোনের উপকারিতার পাশাপাশি অপকারিতাও রয়েছে। 

মোবাইল ফোনের উপকারিতা ও অপকারিতা

মোবাইল ফোন একটি আধুনিক প্রযুক্তি। এটি আমরা নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক কাজেই ব্যবহার করে থাকি। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অনেক কঠিন কাজটি আমরা সহজেই করতে পারি। মোবাইল ফোনের উপকারিতা সম্পর্কে অনেক‌ই জানেন, আবার অনেকেই তা জানেন না। আজ আমরা মোবাইল ফোনের উপকারিতার পাশাপাশি মোবাইল ফোন অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। 

মোবাইল ফোনের উপকারিতা

মোবাইল ফোনের উপকারিতা

বর্তমানে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে না এমন মানুষ পাওয়া দূর্লভ। ছোট-বড় প্রায় সকলেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকে। মোবাইল ফোনের অনেক উপকারিতা রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে কিছু আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।

নিম্নে মোবাইল ফোনের উপকারিতা দেওয়া হলো:

যোগাযোগের সুবিধা

একটা সময় মানুষ একজন অন্যজনের সাথে যোগাযোগ করার জন্য চিঠি আদান-প্রদান করতো। কখনো কখনো পৌঁছাতে ৭-৮ দিন সময় লাগত। আবার অনেকে পোষা পাখি বা কবুতরের পায়ে চিঠি বেঁধে যোগাযোগ করতো। কিন্তু এখন প্রযুক্তি অনেক উন্নত করেছে।

📌 আরো পড়ুন 👇

যোগাযোগের ক্ষেত্রে মোবাইল ফোন এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। এখন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমরা মূহুর্তের মধ্যে পৃথিবীর এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যোগাযোগ করতে পারি। এমনকি ভিডিও কলের মাধ্যমে দেখতেও পারি। 

এছাড়াও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টেক্সট মেসেজ, ইমেইল, ছবি বা ভিডিও আদান-প্রদান করতে পারি। যোগাযোগের ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনের উপকারিতা অপরিসীম।

বিনোদনের সুযোগ 

প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ বিনোদনের প্রতি আকৃষ্ট। বিনোদনের জন্য তারা বিভিন্ন ধরনের নাচ-গানের আয়োজন করতো। কিন্তু এখন বিনোদনের জন্য মোবাইল ফোন‌ই যথেষ্ট।

মোবাইল ফোনের উপকারিতাগুলোর বিনোদন অন্যতম। কেননা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যখন যেখানে ইচ্ছা সেখানেই আমরা বিনোদনের সুযোগ নিতে পারি। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমরা গান শুনতে পারি, ভিডিও দেখতে পারি, বিভিন্ন ধরনের গেমস খেলতে পারি। এছাড়াও আরো অনেক কিছু করা যায়।

তথ্য ও প্রযুক্তির প্রসার 

তথ্য ও প্রযুক্তির প্রসারের ক্ষেত্রে মোবাইল ফোন ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন ধরনের তথ্য পেতে পারি। যেমন: আবহাওয়ার তথ্য, দেশ বিদেশের তথ্য ইত্যাদি

কোনো বিষয় সম্পর্কে জানতে হলে আমরা গুগলে সার্চ করে মূহুর্তের মধ্যে তা পেতে পারি। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমরা প্রতিনিয়ত নানা তথ্য পেয়ে থাকি। 

এছাড়াও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমরা নতুন নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে পারি। ফলে আমাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত ও সহজ হচ্ছে। 

ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি 

আগে মানুষ গাছতলায় বা রাস্তার মোড়ে যার যা আছে, তা নিয়ে বসতো। আস্তে আস্তে মানুষ বাজার তৈরি করে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য করতে শুরু করে।

কিন্তু এখন প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে আপনি অনলাইনে ব্যবসা করতে পারবেন। বর্তমানে এটি মোবাইল দিয়েও সম্ভব। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আপনি ড্রপশিপিং, এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন। এছাড়াও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আপনার ব্যবসার উন্নতি করতে পারবেন।

শিক্ষার প্রসার 

শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষা ছাড়া কোনো উন্নতি করা সম্ভব না। এজন্য শিক্ষা ক্ষেত্রকে উন্নত করা প্রয়োজন। আপনি হয়তো উন্নত দেশগুলোতে দেখে থাকবেন, তারা মোবাইল ফোনকে শিক্ষা ক্ষেত্রেও ব্যবহার করছে। 

কেননা শিক্ষা ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনের উপকারিতা অপরিসীম। মোবাইল ফোনে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষামূলক অ্যাপস, ভিডিও, ওয়েবসাইট, কুইজ প্রতিযোগিতার মতো পদক্ষেপ করা যেতে পারে।  ফলে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার প্রতি আগ্রহী হবে। এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। 

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিক্ষার সুবিধা গ্রহন করতে পারে। এক্ষেত্রে গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা বেশি লাভবান হবে। এভাবে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শিক্ষার প্রসার ঘটে। 

স্বাস্থ্যসেবায় সহায়তা

চিকিৎসা মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় উপকরণ। প্রযুক্তির উন্নয়নের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি হচ্ছে। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমরা স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারি।

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা, ঔষুধের ডোজ জেনে রাখা এবং বিভিন্ন রোগ বা ঔষুধ সম্পর্কে জানা সম্ভব।  অনেক দূরে থেকেও ডাক্তার রোগী দেখতে পারেন। এমনকি পেসক্রিপশন‌ও করতে পারেন।

মোবাইল ফোনের অপকারিতা

মোবাইল ফোনের অপকারিতা

মোবাইল ফোনের উপকারিতা সম্পর্কে কম বেশি সকলেই জানে। মোবাইল ফোনের অপকারিতা খুব কম মানুষই জানে। হয়ত আপনি জানলে অবাক হবেন যে, মোবাইল ফোন ব্যবহার করে আমরা প্রতিনিয়ত ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। 

এখন আপনাদের সাথে মোবাইল ফোনের অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

অতিরিক্ত মোবাইল ফোনের ব্যবহার

মোবাইল ফোন নিয়ে বসলে তা ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যবহার করতে থাকি। এবং কখন যে এতো সময় পার হয়ে যায়, আমরা তো বুঝতেও পারি না। কিন্তু এই অতিরিক্ত মোবাইল ফোনের ব্যবহার সময় নষ্টের পাশাপাশি আপনার শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এছাড়াও আপনি মোবাইল বা প্রযুক্তির প্রতি আসক্ত হয়ে যেতে পারেন। পরবর্তীতে আপনি মোবাইল ছাড়া থাকতেই পারবেন না। এবং মোবাইল ব্যবহার করা আপনার নেশায় পরিণত হবে।

স্বাস্থ্যের সমস্যা 

অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের ফলে স্বাস্থ্যের নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। কেননা মোবাইল ফোন থেকে রেডিয়েশন নির্গত হয়। আরে এই রেডিয়েশন দীর্ঘমেয়াদি হয় তাহলে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দেয়। যেমন:

  • মস্তিষ্ক ক্যান্সার
  • অ্যাজমা
  • মস্তিষ্কের সমস্যা
  • হৃদরোগ
  • ঘাড়ে ব্যথা
  • শ্রবণশক্তি হ্রাস
  • চোখের সমস্যা
  • নানা ধরনের মানসিক সমস্যা

মোবাইল ফোন ব্যবহারে সতর্ক হওয়া উচিত। 

নিরাপত্তাহীনতা

মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে আপনার গোপনীয়তা রক্ষা করা কঠিন। এটি মোবাইল ফোনের সবচেয়ে বড় অসুবিধা। 

তাই দেখা যায় মানুষ অনলাইনে প্রতারণার শিকার হচ্ছে। এটাকে অনলাইন স্ক্যাম বলা হয়। এই স্ক্যামের শিকার হয়ে অনেকের অর্থদণ্ড হয়। 

এছাড়া মোবাইল ফোন চুরি হওয়ার মাধ্যমে আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেয়ার বা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিরাপত্তা নিশ্চিত প্রয়োজন।

অর্থনৈতিক ক্ষতি

মোবাইল ফোন ব্যবহারে আপনার অর্থ নষ্ট হতে পারে। মোবাইল ফোন চালাতে বা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে খরচ হয়। আপনি যদি অনলাইন ব্যবহার করতে চান। তখন ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হবে। 

মোবাইল ডাটা অথবা ওয়াইফাই এর মাধ্যমে আপনি ইন্টারনেটের সকল সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য প্রতিমাসে বেশ কিছু টাকার প্রয়োজন হবে। এছাড়াও মোবাইল ফোনে কথা বলা, মেসেজিং করা ইত্যাদিতেও টাকা ব্যয় হয়। ইন্টারনেট ব্যবহার করলে আপনার এই মোবাইল ফোনের অপকারিতার শিকার হতেই হবে।

তবে আপনি যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে না চান অথবা মোবাইল যদি ব্যবহার না করেন, তাহলে আপনার এই আর্থিক খরচ হবে না। 

অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানো

মোবাইল ফোন নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ডেও ব্যবহার হতে পারে। বর্তমানে ফেসবুকের মত প্লাটফর্মে এমন কিছু Group রয়েছে যারা মানুষকে মাদকাসক্তিতে আসক্ত হ‌ওয়ার উৎসাহ দিয়ে থাকে। 

মোবাইল ফোনে গেম খেলার মাধ্যমে অনেকেই নানা রকম ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে। মাঝেমধ্যেই মাঝে মধ্যেই পত্রিকায় দেখা যায় গেম খেলা নিয়ে মারামারি হচ্ছে। এমন কি অনেকে নিহত হয়েছে। 

এছাড়াও নানা ধরনের স্ক্যাম, হ্যাকিং ইত্যাদিতে রয়েছে। তবে এসব অপরাধমূলক কর্মকান্ডে সাধারণত কিশোর-কিশোরীরা বেশি জড়িত।

সামাজিক বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি

মোবাইল ফোনের কারণে বিচ্ছিন্নতার সৃষ্টি হচ্ছে। এটি মোবাইল ফোনের অপকারিতা গুলোর মধ্যে অন্যতম। বর্তমানে এই সমস্যাটি আমাদের বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

মোবাইল ফোন ব্যবহারের ফলে মানুষ অনলাইনে বেশি সময় কাটাচ্ছে। বাস্তব জগৎ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। ডিজিটাল জগতে বেশি সময় কাটাচ্ছে। 

এছাড়াও অনলাইনে অপরিচিত মানুষের সাথে কথা বলা বা কোন সম্পর্ক স্থাপন করা খুবই সহজ। মানুষ এই বিষয়ে অনেক বেশি আগ্রহী হয়। ফলে প্রায়ই সমাজে বিবাহ বিচ্ছেদ বা পরকীয়া দেখা দেয়।

অনেকেই শিশুর দুষ্টুমি থামানোর জন্য শিশুদের হাতে মোবাইল তুলে দেন। এতে শিশুদের আচরণ পরিবর্তন হয়। ফলে শিশুরা অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

মোবাইল ফোন ব্যবহারে সতর্কতা

মোবাইল ফোনের উপকারিতার পাশাপাশি অপকারিতা রয়েছে। উপকারিতা গুলোর মাধ্যমে আপনি নানা ধরনের সুবিধা পাচ্ছেন। অন্যদিকে অপকারিতা গুলোর মাধ্যমে আপনি হয়তো নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। 

এ জন্য মোবাইল ফোন ব্যবহারে আমাদের সকলের কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। নিম্নে মোবাইল ফোন ব্যবহারে কিছু সতর্কতা দেওয়া হলো:

  • মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
  • মোবাইল ফোনের ব্যবহারের সময় চোখের স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন থাকতে হবে।
  • মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় মাঝেমাঝে চোখ বন্ধ করে একটু বিশ্রাম নিন।
  • মোবাইল মোবাইল ফোনে গান শোনা বা ভিডিও দেখার সময় ভলিউম কম রাখুন।
  • মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন।
  • মোবাইল ফোনে সিকিউরিটি আপডেট সময়মতো ইনস্টল করুন।
  • মোবাইল ফোনে মাদকদ্রব্য ব্যবহারের অ্যাপস ইন্সটল করবেন না।
  • মোবাইল ফোনের অপব্যবহার রোধে আইনযারি করতে হবে।
  • বাস্তব জগতের মানুষের সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনুন।

আশা করছি মোবাইল ফোন ব্যবহারে এই সতর্কতাগুলো অবলম্বন করলে আপনি মোবাইল ফোনের অপকারিতা গুলো এড়িয়ে চলতে পারবেন। পাশাপাশি সমস্যা ছাড়াই আপনি মোবাইল ফোনের উপকারিতা গুলো উপভোগ করতে পারবেন। 

মোবাইল ফোনের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নউত্তর

মোবাইল ফোনে আসক্তি কি স্মৃতিশক্তি নষ্ট করে?

হ্যাঁ, মোবাইল ফোনে আসক্তি আমাদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল করে দেয়। যখন আমরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ব্যস্ত থাকি, তখন আমরা আশেপাশে মনোযোগ দিতে পারি না। ফলে আমাদের মনকে এক্টিভ রাখতে ব্যর্থ হই। যা আমাদের স্মৃতিশক্তিকে নষ্ট করে দেয়।

মোবাইল ফোন ব্যবহার থেকে কোন দক্ষতা কর্ম পরিবেশে স্থানান্তরিত হতে পারে?

মোবাইল ফোন ব্যবহার থেকে অনেক দক্ষতা কর্ম পরিবেশে স্থানান্তর করতে পারে। যেমন: আইটি দক্ষতা, যোগাযোগ দক্ষতা, সমস্যা সমাধান দক্ষতা, সময় ব্যবস্থাপনা দক্ষতা, সহযোগিতা দক্ষতা, দ্রুত শেখার ক্ষমতা ও সৃজনশীলতা ইত্যাদি। এই দক্ষতা অর্জনের ফলে কর্ম ক্ষেত্রে আপনাকে আরো সফলতা সাহায্য করবে।

মোবাইল ফোন থেকে কত রেডিয়েশন নির্গত হয়?

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রেডিয়েশন নির্গত হয়। সাধারণত মোবাইল যত বড় হয়, রেডিয়েশন তত বেশি হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর মতে, মোবাইল ফোন থেকে সাধারণত প্রতি কেজি ০.৪ ওয়াট এর কম রেডিয়েশনের নির্গত হয়। এই  “নিরাপদ” বলে মনে করা হয়। তবে মোবাইল ফোন কান বা মাথার কাছে থাকলে রেডিয়েশন বেশি হয়।

মোবাইল ফোনের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আমাদের মতামত

এই আধুনিক যুগে মোবাইল ফোন আমাদের দৈনিক জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠছে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমাদের প্রতিদিনের কাজগুলো অনেক সহজ হয়ে উঠছে। 

যে কোন জিনিসেরই একটি ভালো দিক এবং একটি খারাপ দিক রয়েছে। তেমনি মোবাইল ফোনের উপকারিতা ও অপকারিতা রয়েছে। আপনি হয়তো মোবাইল ফোনের অপকারিতা সম্পর্কে জানেন না। 

আজকের আর্টিকেলে মোবাইল ফোনের উপকারিতা পাশাপাশি মোবাইল ফোনের অপকারিতা সম্পর্কেও আলোচনা করেছি। আশা করছি মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্পর্কে আপনি সঠিক ধারণাটি পেয়েছেন। 

এছাড়াও, আরও কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই মন্তব্য করবেন। আমরা আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো। এতক্ষন প্রযুক্তির বাংলা ব্লগের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।