১৫টি শিক্ষা প্রযুক্তির নাম ও ব্যবহার – প্রযুক্তির বাংলা

5/5 - (2 votes)

১৫টি শিক্ষা প্রযুক্তির নাম নিয়ে আজকের এই ব্লগে আপনাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করবো। শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তির বহুবিধ ব্যবহার সম্পর্কে জানতে এবং আমরা কী কী প্রযুক্তি প্রতিদিন ব্যবহার করে থাকি সেসব জানতে এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন।

পাথর যুগ থেকে আধুনিক যুগে পদার্পণ করা পর্যন্ত আমাদের জীবনে প্রযুক্তির অবদান অনস্বীকার্য। প্রযুক্তি যে শুধু আমাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করেছে তা নয়, বরং প্রযুক্তির কারণে আমরা প্রাচিন যুগ থেকে সভ্য জাতিতে রুপান্তর হতে পেরেছি। প্রতিনিয়ত প্রযুক্তির উন্নয়ন হচ্ছে। শিক্ষাক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়।

শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তি কিভাবে ব্যবহার হয় এ বিষয়ে জানার জন্য আজ ১৫টি শিক্ষা প্রযুক্তির নাম এবং সেগুলো কোন কোন খাতে ব্যবহার করা হয় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। তো চলুন, কি কি এই ১৫টি শিক্ষা প্রযুক্তি জেনে নেয়া যাক।

১৫টি শিক্ষা প্রযুক্তির নাম

শিক্ষাপ্রযুক্তি হচ্ছে সেসব প্রযুক্তি যা আমরা শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যবহার করে থাকি। এসব শিক্ষাপ্রযুক্তি ব্যবহার করার কারণে শিক্ষার্থীরা নতুন এবং সৃজনশীল পদ্ধতিতে পড়ালেখা করতে পারে। এছাড়াও, শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তি ব্যবহার করার কারণে শিক্ষার্থীরা এখন অনেক দ্রুত তাদের পড়া বুঝতে এবং শিখতে পারছে।

শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে কিন্তু আমরা জানি না এমন অনেক প্রযুক্তি রয়েছে। আবার এমন অনেক শিক্ষাপ্রযুক্তি রয়েছে যা সম্পর্কে অধিকাংশ শিক্ষার্থী অবগত নন। তাই, শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে এমন ১৫টি শিক্ষা প্রযুক্তির নাম এবং কী কী কাজে এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়ে থাকে তা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

এজন্য, প্রথমেই এই ১৫টি শিক্ষা প্রযুক্তির নাম জেনে নেয়া যাক। নিচে শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে এমন প্রযুক্তিগুলোর নাম উল্লেখ করে দিলাম।

  • কম্পিউটার
  • ইন্টারনেট
  • ই-লার্নিং
  • মডেলিং
  • সিমুলেশন
  • ভিডিও
  • অডিও
  • মাল্টিমিডিয়া
  • গেমিং
  • কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
  • ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
  • অ্যাডভান্সড টেকনোলজি
  • মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর
  • ই-বুক
  • অনলাইনে ক্লাস

এছাড়াও আরও অনেক শিক্ষা প্রযুক্তি রয়েছে যা প্রতিনিয়ত আমাদের শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা মান প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপরে উল্লিখিত ১৫টি শিক্ষা প্রযুক্তি নিয়ে নিচে আরও বিস্তারিত বর্ণনা করেছি। চলুন, জেনে নেয়া যাক।

১৫টি শিক্ষা প্রযুক্তির নাম ও এগুলোর ব্যবহার

শিক্ষাক্ষেত্রে যেসব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় এগুলোর নাম জানলেও কী কী কাজে ব্যবহার করা হয় এবং এগুলো কীভাবে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনের মান উন্নয়ন করছে তা অনেকেই জানেন না। নিচে শিক্ষা প্রযুক্তিগুলোর ব্যবহার এবং এগুলো কিভাবে আমাদের জীবনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা জীবনে উন্নতি সাধন করছে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছিতো চলুন, এই ১৫টি শিক্ষা প্রযুক্তির নাম ও এগুলোর ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

কম্পিউটার

১৫টি শিক্ষা প্রযুক্তির নাম ও ব্যবহার,

কম্পিউটার হলো শিক্ষা প্রযুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। কম্পিউটার ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের শিক্ষামূলক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারে। যেমন পাঠ্যপুস্তক, মাল্টিমিডিয়া, এবং ইন্টারেক্টিভ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা। এছাড়াও কম্পিউটারের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা নতুন নতুন জিনিস জানতে এবং শিখতে পারে।

📌 আরো পড়ুন 👇

এছাড়াও, কম্পিউটারের কারণে শিক্ষার্থীরা এখন ঘরে বসেই ক্লাস করতে পারে। ফলে, যেকোনো সমস্যায় তাকে ক্লাসে উপস্থিত হয়েই ক্লাস করতে এবং পাঠ্য কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে এমন কোনো বাধাবাধ্যকতা থাকছে না।

ইন্টারনেট

ইন্টারনেট হলো বিশ্বব্যাপী একটি নেটওয়ার্ক যা কম্পিউটার, স্মার্টফোন এবং স্মার্ট ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ইন্টারনেট ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো ধরণের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে। একজন শিক্ষার্থী চাইলেই অন্য যেকোনো দেশের শিক্ষকের থেকে জ্ঞান অর্জন করতে পারে।

এছাড়াও, ইন্টারনেট এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ইউটিউব চ্যানেল এবং অসংখ্য রিসোর্স ব্যবহার করতে পারে। আগে ভর্তি পরিক্ষা, বোর্ড পরিক্ষার ফরম পূরণ, রেজাল্ট প্রকাশ হলে কলেজে উপস্থিত হতে হতো। কিন্তু, এখন এই সমস্যা সমাধান হয়েছে শুধুমাত্র ইন্টারনেট এর কারণে।

ই-লার্নিং

১৫টি শিক্ষা প্রযুক্তির নাম ও ব্যবহার

ই-লার্নিং হলো ইন্টারনেট ব্যবহার করে শিক্ষাদান এবং শিক্ষাগ্রহণের প্রক্রিয়া। শিক্ষার্থীরা যেকোনো জায়গায় তাদের নিজেদের সুবিধামতো সময়ে কোনো বিষয়ে শিখলে সেটি ই-লার্নিং এর অন্তর্ভুক্ত বলা হয়ে থাকে। ই-লার্নিং এর জন্য শিক্ষার্থীরা অনেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকে। যেমন – পিডিএফ, বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ইউটিউব সহ আরও অনেক রিসোর্স।

মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা এসব ই-লার্নিং রিসোর্স ব্যবহার করে নতুন নতুন অনেক বিষয় সম্পর্কে জানতে এবং শিখতে পারে। মডার্ন যুগে শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র বই-খাতার মাঝে এবং স্কুল-কলেজের মাঝে সীমাবদ্ধ না থেকে পুরো বিশ্ব থেকে তাদের প্রয়োজনীয় বিষয় সম্পর্কে জানতে পারে।

মডেলিং

মডেলিং হলো কোনো সমীকরণ বা শিক্ষার উপকরণকে সহজকৃত উপায়ে উপস্থাপন করার প্রক্রিয়া। মডেলিং ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের জটিল সমীকরণগুলো বুঝতে পারে। মনে করুন ক্লাসে শিক্ষক তার শিক্ষার্থীদেরকে একটি বিষয় সম্পর্কে পাঠদান করছেন, কিন্তু শিক্ষার্থীরা সেটি বুঝতে পারছে না।

এই সমস্যার একটি সমাধান হচ্ছে, মডেলিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদেরকে উক্ত বিষয়ে পাঠদান করা। এতে করে শিক্ষার্থীরা অনেক কঠিন বিষয় অতি সহজে রপ্ত করে ফেলতে পারে।

সিমুলেশন

সিমুলেশন হলো কোনো একটি পরিস্থিতি বা ঘটনাকে কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে অনুরূপ তৈরি করার প্রক্রিয়া। সিমুলেশন ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের কোনো সময়ে উপস্থিত না থেকেও উক্ত সময়ে কী হয়েছিলো বা ঘটেছিলো তা কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে জানতে পারে।

ভিডিও

ভিডিও হলো একটি শক্তিশালী শিক্ষামূলক প্রযুক্তি যা শিক্ষার্থীদের সবথেকে সৃজনশীল পদ্ধতিতে কোনো কিছু শিখতে এবং জানতে সহযোগিতা করে থাকে। ভিডিও এর কারণে শিক্ষার্থীরা দেখতে এবং শুনতে পারে। ফলে, যেকোনো বিষয় তারা অতি সহজেই শিখে ফেলতে পারে।

অডিও

অডিও হলো আরেকটি শক্তিশালী শিক্ষামূলক প্রযুক্তি যা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন শিক্ষাগত বিষয় শ্রবণ করার মাধ্যমে শেখার মাধ্যম তৈরি করে দিয়ে থাকে।

মাল্টিমিডিয়া

মাল্টিমিডিয়া হলো ভিডিও, অডিও, টেক্সট, এবং ছবির মতো বিভিন্ন ধরনের মিডিয়া উপকরনের সমন্বয়। মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা যেকোনো বিষয় অনেক সহজেই জানতে এবং শিখতে পারে। উন্নত বিশ্বের প্রায় সকল দেশেই মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদেরকে পাঠদান করা হয়ে থাকে।

গেমিং

গেমিং হলো একটি শিক্ষামূলক প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির কারণে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সহিত অনেক শিক্ষণীয় বিষয় সম্পর্কে জানতে এবং শিখতে পারে।শিক্ষার্থীদেরকে আনন্দের সহিত পাঠদান করার সবথেকে উত্তম পদ্ধতি এবং প্রযুক্তি হচ্ছে গেমিং প্রযুক্তি।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

১৫টি শিক্ষা প্রযুক্তির নাম ও ব্যবহার

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI – Artificial Intelligence) হলো কম্পিউটার বিজ্ঞানের উন্নত মাধ্যম বা আবিস্কার। এই এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা অনেক কাজ সহজেই করে ফেলতে পারে। ফলে, তারা বিভিন্ন জিনিস অনেক দ্রুত শিখে ফেলতে পারে। এছাড়াও, উন্নত বিশ্বে এআই সম্পর্কে ধারণা আছে এমন মানুষের চাহিদা অনেক বেশি।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো একটি প্রযুক্তি যা ব্যবহার করে 3D উপায়ে মানুষ একটি কৃত্রিম বিশ্ব বা জগত দেখতে পারে। এতে করে অনেক শিক্ষণীয় বিষয় কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে তৈরি করা সম্ভব হয় এবং তা শিক্ষার্থীদের শেখানো অনেক সহজ হয়। 

অ্যাডভান্সড টেকনোলজি

শিক্ষা প্রযুক্তি ক্রমাগত বিবর্তিত হচ্ছে। নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হচ্ছে যা শিক্ষা প্রদান এবং শিক্ষাগ্রহণের প্রক্রিয়াকে আরও উন্নত করে তুলছে। ফলে, শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র কাগজে তৈরি বই এবং কলমের মাঝে সীমাবদ্ধ নেই। তারা অ্যাডভান্স টেকনোলজি ব্যবহার করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সহজেই আয়ত্ত করে ফেলতে পারছে।

মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর

মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদেরকে অনেক সহজেই পাঠদান করা সম্ভব হয়। তাই এখন প্রায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ব্যবহার করা হচ্ছে।

ই-বুক

ই-লার্নিং এর একটি মাধ্যম হচ্ছে ই-বুক। ই-বুক ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা কাগজে তৈরি বই ছাড়াও বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে এবং শিখতে পারে। কাগজ ছাড়া বই এর অপর নাম হচ্ছে ই-বুক। ই-বুক এর অনেক ধরণের ফরম্যাট থাকতে পারে। যেমন একটি হচ্ছে পিডিএফ। ই-বুক এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যেকোনো বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারে সাধারণ বই এর মতোই।

তবে, ই-বুক এর একটি সুবিধা হচ্ছে একই সাথে একগাদা বই সাথে নিয়ে পড়তে বসতে হয় না। অর্থাৎ, আমরা এখন পড়তে বসলে আমাদের টেবিলে যেমন প্রচুর বই থাকে। ই-বুক প্রযুক্তির কারণে একটি স্মার্টফোন বা কম্পিউটার/ট্যাবলেট এ শত কোটি এর থেকেও অধিক পরিমাণে বই সংরক্ষণ করা সম্ভব। এছাড়াও, এসব বই নষ্ট হওয়ার বা চুরি হওয়ার কোনো ভয় থাকে না।

অনলাইনে ক্লাস

কম্পিউটার/স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা এখন ঘরে বসেই ক্লাস করতে পারে। কোভিড-১৯ এর মতো প্যানডেমিক এ এই প্রযুক্তি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছিলো। 

📌 আরো পড়ুন 👇

এই শিক্ষা প্রযুক্তিগুলি বিভিন্নভাবে শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমৃদ্ধ করে চলেছে। উদাহরণস্বরূপ, কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের শিক্ষামূলক উপকরণ অ্যাক্সেস করতে পারে যা প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় পাওয়া কঠিন বা অসম্ভব। মডেলিং এবং সিমুলেশন ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের জটিল বিষয়গুলো বুঝতে পারে।

ভিডিও, অডিও, এবং মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে সহজেই জানতে পারে।

শিক্ষা প্রযুক্তির গুরুত্ব

শিক্ষা প্রযুক্তি হচ্ছে সেসব প্রযুক্তি যা শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত ব্যবহার করে থাকে। শিক্ষা প্রযুক্তি ব্যবহার করার কারণে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার মান উন্নয়ন হচ্ছে। আমরা জানি যে, শিক্ষার্থীরা হচ্ছে ভবিষ্যতের কর্ণধার। তাই, শিক্ষার্থীদের কাজে আসছে, সময় অপচয় থেকে বিরত রেখে প্রডাক্টিভ কাজ করাতে সহযোগিতা করছে, এমন শিক্ষা প্রযুক্তির গুরুত্ব অপরিসীম।

শিক্ষা ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রযুক্তি ব্যবহার করার কারণে শিক্ষার্থীরা সৃজনশীল পদ্ধতিতে এবং পূর্বের তুলনায় অনেক সহজভাবে তাদের পড়ালেখার বিষয় সম্পর্কে জানতে এবং সেগুলো শিখে আয়ত্ত করতে পারছে। তাই, মুখস্ত বিদ্যা পড়ালেখার সিস্টেম থেকে শিক্ষার্থীদের বিরত রাখার জন্য শিক্ষা প্রযুক্তির গুরুত্ব অনস্বীকার্য। একজন শিক্ষার্থীর পড়ালেখার মান উন্নয়ন করার জন্য উপরে উল্লিখিত ১৫টি শিক্ষা প্রযুক্তির নামগুলো অনুসরণ করতে পারেন এবং ব্যবহার করতে পারেন।

শিক্ষা প্রযুক্তির অপব্যবহার

প্রযুক্তির ভালো দিক এবং খারাপ দিক উভয়ই আছে। শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তি ব্যবহার করে যেমন শিক্ষা খাতের উন্নয়ন হচ্ছে, তেমনি শিক্ষা প্রযুক্তি ব্যবহার করার অনেক খারাপ দিকও রয়েছে। যেমন – মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করার কারণে শিক্ষার্থীরা এগুলোর সাথে অনেক বেশি সময় যুক্ত থাকে। ফলে এসব প্রযুক্তি অধিক সময় ব্যবহার করায় তারা এসবে আসক্ত হয়ে যায় এবং পড়ালেখা করার পরিবর্তে মোবাইল এবং ইন্টারনেট এ সময় ব্যয় করে।

ফলে, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা নষ্ট হয় এবং অধিক সময় যাবত এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করার কারণে তাদের শরীরে বিরূপ প্রভাব পড়ে। যেমন – অধিক সময় মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার করার কারণে চোখে ঝাপসা দেখা, চোখ দিয়ে পানি পড়া, চোখ জ্বালাপোড়া করা সহ আরও অনেক সমস্যা দেখা যায়।

তাই, শিক্ষা প্রযুক্তি সর্বদা সঠিক পদ্ধতিতে ব্যবহার করতে হবে। এজন্য পিতা-মাতার নজরদারী অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

১৫টি শিক্ষা প্রযুক্তির নামের প্রশ্ন‌উত্তর

শিক্ষা প্রযুক্তি কি?

যেসব প্রযুক্তির শিক্ষা খাতে ব্যবহার করা হয়, শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়ন, সহজেই পাঠদান করা এবং পাঠ গ্রহণ করা যায় সেগুলোই হচ্ছে শিক্ষা প্রযুক্তি।

কয়েকটি আধুনিক প্রযুক্তির নাম কি?

কয়েকটি আধুনিক প্রযুক্তির নাম হচ্ছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, মডেলিং, সিমুলেশন, ই-লার্নিং ইত্যাদি।

নতুন শিক্ষা প্রযুক্তি কোনগুলো?

নতুন শিক্ষা প্রযুক্তিগুলো হচ্ছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, সিমুলেশন এবং মডেলিং।

শিক্ষা প্রযুক্তি সম্পর্কে আমাদের মতামত 

আজকের এই পোস্টে আপনাদের সাথে ১৫টি শিক্ষা প্রযুক্তির নাম এবং উক্ত শিক্ষা প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ে থাকলে শিক্ষাক্ষেত্রে কী কী প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়ে চলেছে এবং এগুলোর গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারবেন।

এছাড়াও, আরও কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই মন্তব্য করবেন। আমরা আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো। এতক্ষন প্রযুক্তির বাংলা ব্লগের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।